• রাজশাহীর প্রথম জয়

    November 11th, 2017 by Mostaque

    ক্রীড়া প্রতিবেদক

    বিডিস্পোর্টস২৪ ডটকম

    ঢাকা, ১১ নভেম্বর: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-২০ ক্রিকেটের পঞ্চম আসরে প্রথম জয়ের মুখ দেখলো গতবারের রানার-আপ রাজশাহী কিংস। সিলেটে দু’টি ম্যাচ হারের পর ঢাকা পর্বে ৮ উইকেটে রংপুর রাইডার্সকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ পেয়েছে রাজশাহী কিংস। তিন ম্যাচে এ পর্যন্ত এক ম্যাচে জয় পেল রাজশাহী। সমানসংখ্যক ম্যাচে রংপুরের এটি দ্বিতীয় হার।

    মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন রংপুরের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। ইনিংসের তৃতীয় ডেলিভারিতেই ফিরে যান ওপেনার ওয়েস্ট ইন্ডিজের জনসন চার্লস। ব্যর্থ হয়েছেন আরেক ওপেনার ইংল্যান্ডে এডাম লিথও। চালর্স ২ ও লিথ ৪ রান করে ফিরেন। দ্বিতীয় উইকেটে মোহাম্মদ মিথুনের সাথে ২৯ রান যোগ করেন লিথ। দলীয় ৩৩ রানে বিদায় নেন মিথুন। ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৫ বলে ১৮ রান করেন তিনি।

    এরপর ইংল্যান্ডের রবি বোপারা ও শাহরিয়ার নাফীস তৃতীয় উইকেটে দলের ইনিংস মেরামত করেন। তাতে দলীয় সংগ্রহ শতরানের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছিলো। কিন্তু নাফীসের বিদায়ে বোপারার সাথে ভাঙ্গে জুটি। ৪৯ রান যোগ করেন তারা। ৩১ বলে ২৩ রান করেন নাফীস।

    নাফীসের বিদায়ে উইকেটে গিয়ে মাত্র ৪ রান করেই ফিরে যান হার্ড-হিটার ব্যাটসম্যান শ্রীলংকার থিসারা পেরেরা। শেষদিকে ২৬ বলে ৪০ রান যোগ করে রংপুরকে ৫ উইকেটে ১৩৪ রানের সংগ্রহ এনে দেন বোপারা ও জিয়াউর রহমান। ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ৫১ বলে অপরাজিত ৫৪ রান করেন বোপারা। অন্যপ্রান্তে ১১ রানে অপরাজিত থাকেন জিয়াউর। রাজশাহীর ফরহাদ রেজা ২৮ রানে ২ উইকেট নেন।

    জয়ের জন্য ১৩৫ রানের সহজ টার্গেট হেসেখেলেই পেরিয়ে যায় রাজশাহী। অবশ্য লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথটা কঠিনই হতে পারতো, যদি রাজশাহীর ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ক্যাচ না ফেলতেন রংপুরের অর্থোডক্স স্পিনার নাজমুল ইসলাম। রংপুরের অধিনায়ক মাশরাফির করা ঐ ওভারের চতুর্থ ডেলিভারিটি ডিপ স্কয়ার দিয়ে উড়িয়ে মেরে ছিলেন রাজশাহীর বাঁ-হাতি ওপেনার মুমিনুল হক। কিন্তু বল উঠে যায় আকাশে। সেটি ক্যাচে পরিণত করার সুযোগ হাতছাড়া করেন নাজমুল। তাই ব্যক্তিগত ১ রানে জীবন পান মুমিনুল।

    এরপর আর পেছন ফিরে তাকাননি মুমিনুল। অন্যপ্রান্তে রান তোলায় মনোযোগী হয়ে উঠেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের লেন্ডল সিমন্সও। এই ১৫.২ ওভার মোকাবেলায় ১২২ রান করে বিচ্ছিন্ন হন। দলের জয় প্রায় নিশ্চিত করে সিমন্স ফিরলেও শেষ পর্যন্ত জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন মুমিনুল।

    সিমন্স ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ৫০ বলে ৫৩ রান করেন। ৪টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৪৪ বলে ৬৩ রানে অপরাজিত থাকেন মুমিনুল। তিন নম্বরে নামা জিম্বাবুয়ের ম্যালকম ওয়ালার ৪ রানের বেশি করতে পারেননি। ৪ বলে ১০ রান করে মুমিনুলের সাথে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন চার নম্বরে নামা রনি তালুকদার। রংপুরের শ্রীলংকান থিসারা পেরেরা ১২ রানে ১ উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন রাজশাহীর মুমিনুল।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর :

    রংপুর রাইডার্স : ১৩৪/৫ (২০ ওভার) (বোপারা ৫৪*, নাফীস ২৩, ফরহাদ ২/২৮)।

    রাজশাহী কিংস : ১৩৮/২ (১৬.৪ ওভার) (মুমিনুল ৬৩*, সিমন্স ৫৩, রনি তালুকদার ১০, পেরেরা ১/১২)।

    ফল : রাজশাহী কিংস ৮ উইকেটে জয়ী।

    ম্যাচ সেরা : মুমিনুল হক (রাজশাহী কিংস)।

অতিথি কলাম

সাক্ষাৎকার

স্পোর্টস ফ্যাশন

প্রবাসী তারকা

জেলা ক্রীড়া সংস্থা

বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০